এই টপিকটি
রূপরেখাঃ বাংলাদেশে লিনাক্স তথা ওপেনসোর্সের প্রচার ও প্রসার টপিক থেকে বিভক্ত করে নিয়ে নতুন টপিক করা হলো কেবল সাংগঠনিক বিষয় আলোচনার জন্য।
অনেকেই কিছু কিছু আগ্রহ দেখাচ্ছেন সাংগঠনিক কর্মকান্ডের জন্য, ফিজিক্যাল এন্টিটির জন্য। অন্য গ্রুপের কথা বলতে পারি না তবে উবুন্টু বাংলাদেশ ও বিএলইউএ-র পরিপ্রেক্ষীতে কিছু মন্তব্য করতে পারি।
অভ্রনীল লিখেছেন:১। সদস্য সংগ্রহের জন্য এই ফোরামেই উবুন্টু বিডির পক্ষ থেকে একটা ফর্ম ছাড়া যেতে পারে। অনেকেই যে এর সদস্য হবেন এটা আমি বলতে পারি।
এটা কয়েকবার করা হয়েছিলো, তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি। হতে পারে তখন প্রাথমিক পর্যায়ে ছিলো বলে তেমন সুবিধা হয়নি। তখন অনেকে আগ্রহ দেখালেও রিয়েল আউটপুট নগন্য ছিলো। এরপরও সামনে আবার চেষ্টা করবো। (কেউ সাহায্য করলে খুব উপকার হবে।)
অভ্রনীল লিখেছেন:২। তারপর এসব সদস্যদের নিয়ে সপ্তাহে একদিন ফিজিক্যাল মিটিং করা যেতে পারে। এতে আর কিছুনা হোক অন্তত টিম হিসেবে কাজ করার একটা মানসিকতা তৈরি হবে।
হেঃ হেঃ তারুণ্য ভাই কই? উনি ওনার দুঃখের কাহিনী একটু শোনাক

অভ্রনীল লিখেছেন:৩। যারা বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-ভার্সিটিতে পড়েন বা আছেন তারা এরকম মিটিংএ সংগে বন্ধু বা কলিগদের আনতে পারেন, যাতে করে তারা উবুন্টু সম্পর্কে জানতে পারেন। স্কুল-কলেজ-ভার্সিটিতে যেমন বিভিন্ন ক্লাব থাকে তেমনি উবুন্টুবিডিরও বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি ক্লাব খোলা যেতে পারে। অবশ্য এতে প্রথমদিকে প্রতি স্কুল-কলেজ-ভার্সিটিতে সদস্য সংখ্যা অনেক কম থাকবে। সেজন্যই মিটিংএ বন্ধু বা কলিগদের নিয়ে যেতে বলেছিলাম, যাতে করে দ্রুত সবাই এটার সাথে পরিচিত হয় এবং ক্লাব খুলতে তেমন কোন সমস্যা না হয়।
এরকম ক্লাব বিডিওএসএন-এর আছে অধিকাংশ ভার্সিটিগুলোতে। তবে সেখানে দেখেছি ইমেইল আইডি সংগ্রহ করে বলে দেয় গ্রুপ খুলা হয়ে গেছে, আসলেই কোন কিছু হচ্ছে কিনা, আলোচনা হচ্ছে কতোদূর অগ্রগতি হচ্ছে, লক্ষমাত্রা নির্ধারণ এগুলো হয়ে উঠে না।
অভ্রনীল লিখেছেন:৪। যারা ঢাকার বাইরে থেকে সদস্য হবেন তারাও স্কুল-কলেজ-ভার্সিটিতে বা পাড়া-মহল্লায় এরকম ছোট ছোট ক্লাব খুলতে পারেন (প্রতি পাড়া মহল্লাতেই কিছু কিছু ক্লাব থাকে, তাই খোলাটা সমস্যাময় কিছু হবার কথা না)। তবে ঢাকার বাইরের সদস্যদেরকে ফোরাম বা অন্যকোন ভাবে উবুন্টুবিডির সাপ্তাহিক আপডেট দিতে হবে। বছরে অন্তত একবার জেলা ভিত্তিক সম্মেলন আর একবার সারা দেশ থেকে উবুন্টু বিডির সব সদস্যদের একসাথে একটা সম্মেলন করা উচিৎ।
কয়েকবার চেষ্টা করেও সাংগঠনিক শক্তি ও স্পন্সরের অভাবে করা সম্ভব হয়নি।
অভ্রনীল লিখেছেন:৫। আমরা যারা বাইরে থাকি তারা সরাসরি যুক্ত হতে না পারলেও বিভিন্ন লেখা বা টিউটোরিয়াল দিয়ে সাহায্য করতে পারব। দরকারে প্রেজেন্টেশনও তৈরি করে দেয়া যাবে।
মুখে ফুলচন্দন পরুক

। ভাই লেখা চেয়ে চেয়েও উবুন্টু বিডি সাইটে লেখা পাই না, সবাই ফোরামে ব্লগে দেয়, উবুন্টু বিডি সাইটে দেয় না। মানছি সিস্টেম কিছুটা রিগিট, কিন্তু মানুষের আগ্রহ পেলে লেখা সাবমিশনের বিষয়টা আরও সহজ করা সম্ভব হবে। (এ্যাডমিনদের কনভিন্স করারও বিষয় আছে)
অভ্রনীল লিখেছেন:৬। উবুন্টুবিডির সাইটে সব প্রেজেন্টেশন, টিউটো আর লেখালেখির কপি থাকতে হবে, যাতে করে যখনই দেশের কোন জায়গায় উবুন্টু নিয়ে কোন প্রেজেন্টেশন হবে যারা প্রেজেন্টার তারা যাতে সহজেই হাতের কাছে মালমশলা পেয়ে যান। এটা বেশ উপকারি হবে তাদের জন্য যারা ঢাকার বাইরে উবুন্টু বিডির ক্লাব করবেন এবং এর প্রচারনা করবেন।
উপরের মন্তব্য দেখুন।
===================================
ফিজিক্যাল এন্টিটি যতো সহজ মনে হয় ততো সহজ নয়।
প্রথম কথা
ভার্চুয়াল টিম যতো সহজে একত্রিকরণ, নিয়ন্ত্রন, পরিচালনা সম্ভব ফিজিক্যাল এন্টিটি ততোটা সহজ নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্বেচ্ছাসেবক কর্মকান্ড বলে বাধ্য করা যায় না কোন কাজের জন্য। সবাই মিটিং এ আসতে পারে না। ভার্চুয়াল মিটিং এ কেউ না আসলে সহজেই পরবর্তীতে মিটিং মিনিটস পাওয়া যায় (অন্তত লগ পাওয়া যাবে), কিন্তু আমরা এখনও এতো গোছানো নই যে অফলাইন মিটিং এর মিটিং মিনিটস পাবে কেউ পরে।
দ্বিতীয় কথা
ফিজিক্যাল এন্টিটির জন্য কিছু কিছু ফিজিক্যাল অফিস প্লেস দরকার।
আমাদের হয়তো একটি গুদামঘর আছে (২০০-৪০০ স্কয়ার ফিট) কিন্তু মিটিং প্লেস নেই। বড়জোর পাঁচ-ছয় জন বসতে পারে এমন ঘর, পুরো ঢাকা শহরের বর্তমান স্বেচ্ছাসেবকদের বসতে দেয়ার মতো জায়গা নেই।
বিএলইউএ মিটিং দুই মাসের জন্য পরপর করা হয়েছে সেটা করতে হয়েছিলো খোলা মাঠে (সোহরাওয়ার্দী ময়দানে) আড্ডার ছলে। প্রাথমিকভাবে মজা হলেও প্র্যাক্টিক্যালি কিছু লিমিটেশন থেকেই যায়।
তৃতীয়ত
অধিকাংশ স্বেচ্ছাসেবকই স্বেচ্ছা সেবা দিচ্ছে। অর্থাৎ ওপেনসোর্স প্রিচিং তাদের প্রধান কাজ নয়, শখ হিসেবে করছেন। এখনও আমরা এতোটা পেশাদার হতে পারিনি যে প্রথম কাজ শেষ করে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াবো। অনেকক্ষেত্রেই আলোচনার সময় লোক আসলেও পরবর্তীতে কাজের সময় দুইজন স্বেচ্ছাসেবকের দেখা করে কাজ করার সময়ের বড় অভাব দেখা দেয়।
চতুর্থত
দিকনির্দেশনার অভাব। এটা সবচেয়ে বড় একটা পয়েন্ট। মিটিং হলেই "এই করা উচিত" "সেই করা উচিত" "আমরা এটা করবো" এমন বহু কথা হয়, বিশেষ করে জুনিয়ররা সিনিয়রদের দিকে তাকায় থাকে কোন কার্যকর পদক্ষেপের জন্য। কিন্তু বিএলইউএ ও উবুন্টু বিডি উভয় ক্ষেত্রেই দেখেছি সিনিয়ররা যার যার কাজে ব্যস্ত আছেন। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে রোডম্যাপ করা, রোডম্যাপ মনিটর করা এমন কোনকিছু দেখা যায় না। জুনিয়ররা দুদিন পরেই হতাশ হয়ে সরে পরে। (বিএলইউএ ও উবুন্টু বিডি উভয় সংগঠনই বহু স্বেচ্ছাসেবক গত ১ বছরে হারিয়েছে, আমি নিজেও তিন+ বছর লেগে থেকে এখন ছেড়ে দিয়েছি এ্যাক্টিভলি কাজ করা)
পঞ্চমত
আমি নেতা আমি ছাড়বো না
নেতাদের গুতায়ও কিছুটা সুযোগ বের করে নেয়া যায় না। নিয়ন্ত্রণ বলুন, অনুমতি বলুন কিছুটা রিগিড বটেই।
ষষ্ঠ
ব্যক্তিগত আবেগ, আক্রোশ, পছন্দ-অপছন্দ
==============
আমি যখন শুরু করেছিলাম বহু আশা নিয়ে এসেছিলাম
ক) প্রথম ইচ্ছা ছিলো উবুন্টু বিডি সাইটকে রিমডেল করা।
চেহারায় পরিবর্তন আসলেও স্ট্রাকচার পরিবর্তন হয়নি, এখনও সহজ নয় সাবমিশন।
অনেকেই লেখা সাবমিটের উপায় বুঝেন না এই বিষয়ে কোন গাইডেনসও সাইটে নেই। লেখা সাবমিট করতে হলে আগে এ্যাপ্রুভাল লাগবে পরে লেখা সাবমিট হয় (এ্যাডমিনরা সবসময় নেই বিশেষ কোন কারণে)
খ) লিনাক্স শপ
এটার খুবই সখ ছিলো, ফিজিক্যাল ভার্চুয়াল উভয় ক্ষেত্রেই। এখনও দোকানে গেলে কেবল রেড হ্যাট দেয় (কিছু কিছু দোকান ইদানিং উবুন্টু ফেডোরা দিচ্ছে)। আমরা যদি সুনির্দিষ্ট লোকেশন দিতে পারি অমুক জায়গায় লিনাক্স সাপোর্টেড হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পাওয়া যায় তাহলে প্রচার সহজ হবে মানুষ প্রয়োজনে জিনিস কিনতে পারবে। (এই ক্ষেত্রে কাকলীর অফিস কাজে আসতো)। ভার্চুয়াল করার বিষয়টা ছিলো ঢাকার বাইরে যারা আছেন তাদেরকে প্রাথমিকভাবে সাপোর্ট দেয়ার জন্য।
এই বিষয়টা অনেক সহজ হয়ে গেছে উবুন্টু সিডি আদান প্রদান কর্মসূচীর কারণে। তবুও অনেকদূর যেতে হবে।
গ) কাস্টম লিনাক্স
আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষীতে লিনাক্স ডিস্ট্রো ছাড়া বাৎসরিক রিলিজ সাইকেল অনুযায়ী। রয়েল বেঙ্গল লিনাক্স এর কাজ কিছুটা গিয়ে থমকে গেছে নানা কারনে।
এই টপিকটি দেখতে পারেন
ঘ) ভলান্টিয়ার সেন্টার/ট্রেড সেন্টার ইত্যাদি ইত্যাদি
এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন
এই টপিকে অথবা
এই টপিকেঙ) ভলান্টিয়ার লিস্ট
এখনও উবুন্টু বাংলাদেশ অথবা বিএলইউএ-র কোন সদস্য সঠিকভাবে জানেন না কতোজন স্বেচ্ছাসেবক দুইটি সংগঠনে রয়েছেন। (জানতে চেয়েন না কেনো। নাম রেজিস্টার করে না তো আমরা কতো গুতাবো?)
চ) দীর্ঘমেয়াদী স্পন্সর
এখনও অর্গানাইজেশন প্রোফাইলই হাতে পেলাম না তো স্পন্সর কিভাবে জোগাড় হবে?
============
আলোকিত লিখেছেন:হুমম। অর্গানাইজেশনের সদস্য হবার জন্য আশাবাদী বা
রাসেলভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
উবুন্টু-বিডির এখনো অফিসিয়াল কোন ভিজিটিং কার্ড আছে কি?

জানিনা...
কয়েকমাস আগে আমি, আশাবাদী আর এ্যাঞ্জেল ভাই ভিজিটিং কার্ড আর টি-শার্ট ছাপানোর উদ্দেশ্যে কিছু জায়গায় গিয়েছিলাম। তবে তখনো অর্ডার দেয়া হয়নি।
আর ভার্চুয়াল নয় বাস্তব মিটিং প্রায়ই হয়ে থাকে, আমিও কয়েকটা মিটিং এ অংশ নিয়েছিলাম।
১) মূলত অনলাইন রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রাথমিক সদস্য হওয়া যায়। ভার্চুয়াল পরিচয় থেকেই ফিজিক্যাল পরিচয় হতে পারে।
(এই বিষয়ে এখন কথা বলতে ইচ্ছে করছে না, অনেক রাত, পরশুদিন আবার এসে বিস্তারিত আলোচনা করা যাবেনে)
২) ভিজিটিং কার্ড না থাকলেও আইডি কার্ড আছে। টিশার্ট এখনও ডিজাইন রুমে আছে।