* কেউ ইমেইলে আপনাকে হুমকি দিলে বর্তমান কোন আইন দিয়ে আমরা তা মোকাবেলা করব?
এখানে সাধারণ আইন প্রয়োগ করা যেতে পারে। হুমকি সামনা সামনি হোক, কিংবা ফোনে ও মেইলে, সেটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে মনে করি। নতুন আইন প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা।
* কেউ আপনার কম্পিউটার, সার্ভার বা কোন সিস্টেম হ্যাক করলে তা কোন আইন দিয়ে প্রতিরোধ করা যাবে।
কোন আইন দিয়ে তো ক্র্যাকিং (হ্যাক বলা ভুল) প্রতিরোধ করা যাবেনা। ক্র্যাকিং করলে কোন আইনে
শাস্তি হবে, তা জিজ্ঞেস করা হচ্ছে হয়তো। অবৈধ অনুপ্রবেশ এজাতীয় অপরাধের আইন রয়েছে মনে হয়। তবে, ক্র্যাকিং করে কতটা তথ্য নিয়ে গেলো, কতটা লাভবান হলো, কিংবা কতটা ক্ষতি করলো (জানমালের) সেটির মাত্রা নিরূপন ব্যবস্থা থাকা দরকার। তারপর সেই মাত্রা অনুযায়ী পিডানি (পড়ুন শাস্তি) দিতে হবে। কিন্তু এরও পূর্বে সরকারী সকল ওয়েবসাইট এর হাস্যকর নিরাপত্তা ত্রুটি গুলো দূর করতে হবে। নিজস্ব সাইবার নিরাপত্তা ব্যুরো করে সেখানে সরকারী চাকুরী দিতে হবে দক্ষ লোকবলকে। ফেডোফিল কম্পিউটারস সাইট বানাইলো, নিলিনিয়াম মিলিটেড সাইটের এর কট্রাক্ট পাইলো - তারা তো আর নিরাপত্তা দিবে না। তারা টাকা কামাই করে ফুটে যায়। একটা অক্ষর আপডেট করাতে গেলেও তারা লাখ টাকার ওয়ার্কঅর্ডার চায়। তাইতো ব্যার ও আম্রির সাইটে পুচকে পোলা পি করে যায়। আওর আছে, বিদেশী কোন হোস্টিং প্রভাইডার এর কাছে সরকারী কোন সাইট বা সিস্টেম (অনলাইন ফরম পূরণ জাতীয়) হোস্ট করা যাবে না। এগুলো দেশে করতে হবে, সেন্ট্রালী এক স্থানে করতে হবে, দেশী ইন্টারনেট গেটওয়ে দিয়ে এগুলো যেনো দ্রুতগতিতে ব্রাউজ করা যায় সে ব্যবস্থা করতে হবে, যেনো আউটবাউন্ড ব্যান্ডউইথ এর উপর অযথা পয়সা খরচ না হয়।
* অনলাইনে কেনা কাটি করার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার কি বলছে?
এটির কি উত্তর দিবো? বাংলাদেশ সরকার কি করতে পারে, সেটি জিজ্ঞাসা করতে চাচ্ছিলেন কি? যদি তাই হয় তাহলে বলবো, "অনলাইন মানি ট্রান্সফার" চালু করতে হবে। ফাউ জিনিস চলবে না, কদিন আগে যেটি শুনলাম। আর অনলাইন মানি ট্রান্সফার মানে বিদেশী পেপাল বা মানিমেকার কে এখানে চান্স দেওয়া যাবে না। দেশীয় উদ্যোগ উৎসাহী করতে হবে, তারা বিদেশী সার্ভিস প্রভাইডারদের সাথে বুঝবে। আমরা দেশীয় গেটওয়ে দিয়ে টাকা পরিশোধ করবো।
* কিভাবে অনলাইনে আমরা সফটওয়্যার কিনব?
কেনো কিনবো যদি ফ্রি পাওয়া যায়। যেটি পাওয়া যাবে না সেটি বানিয়ে নিবো। তারপরও যদি কিনতে হয়, তাহলে যারা সফটওয়্যার বিক্রি করে তারা, আমাদের দেশীয় ভেন্ডরদের মাধ্যমে বিক্রি করবে, এছাড়া বেচা যাবে না। অন্যান্য সার্ভিসও সরাসরি বিক্রি করা যাবেনা। আমাদের দেশে যুগে যুগে বেনিয়ারা আমাদের মাথা গুনে (বেশি কাস্টমার) চলে আসে। আর আমাদের রিসোর্স (আমাদের ব্যাংক হতে লোন নিয়ে) আমাদের কাছে বিক্রি করে টাকা দেশে নিয়ে যায়, এসব চলবে না। যেকোন বেচা বিক্রী আমাদের দেশীয় ভেন্ডর এর মাধ্যমে বিক্রি করতে হবে। এবং পৃথিবীতে সবচে' কম মূল্যে দিতে হবে।
* ইন্টারনেট সংযোগ পলিসি
সব ফ্রডব্যান্ড এর মালিক, ম্যানেজার, সেলস পারসন দের চট্টগ্রামের বিএমএ তে নিয়ে বিট বাইট, ফুলডুপ্লেক্স চিনাতে হবে। আর তাদের সাপোর্ট টীম এর সবাইকে সিডর টাইপ ঝড়ের সময় সুন্দরবনের কেওড়া গাছে বেধে রাখতে হবে। তারপর, পলিসি করলে দে উইল এবাইড বাই দা রুলস। QoS এবং CIR (কমিটেড ইনফরমেশন রেট) নিয়ে কোন আপোষ হবে না। গ্রাহক এর নিকট সেবা বিক্রি করার সময় যতটুকু কোয়ালিটি অফ সার্ভিস এর ওয়াদা করবে, সেটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে। সাপোর্ট সার্ভিস সত্যিকার অর্থে টয়েন্টি ফোর বাই সেভেন করতে হবে। কোন কোকিল কন্ঠি টেলিফোন সাপোর্ট দিতে পারবে না।
* স্প্যাম ইমেইল পলিসি
এই পলিসিটা হলে, আমি খুব খুশী হবো। বিডিজবসকে ঠেঙ্গানো যাবে। প্রতিটা দিন নানান ট্রেনিং এর মেইল পাঠায়। আর আমার ইমেইল (আমি ওদের সাইটে চাকরির বিজ্ঞাপন দেই) অন্যান্য কোম্পানির কাছে বিক্রি করা যাবেনা। (কি বলবো, শার্ট বিক্রি করতেও মেইল দেয়)। স্প্যাম করা অপরাধ, করলে জরিমানা দিতে হবে। কোন ভাবেই কারও ইমেইল এড্রেস অন্যকে দেওয়া চলবে না।
* অন্যান্য
ভাই, আমি যে লাইনের মানুষ - সেলাইনের একটা কথা বলি। GPL, CC ইত্যাদি লাইসেন্স গুলো বাংলাদেশের জুরিসডিকসনে অন্তর্ভুক্ত করা যায় কিন, দেখবেন। আর হিপোক্রেট (ওপেন সোর্সের কথাও বলে, আবার আন্ডোজ সেভের রিলিজ পার্টি করে এমন বন্ধু আছে আমার।) দুএকটাকে ধরে, একটু বকা দেওয়া যায় কিনা দেখবেন।