মনুষ্য প্রানী

পদার্থ বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় আলোচনা।
Post Reply
Shahin Sandy
নিবন্ধিত সদস্য
Posts: 13
Joined: Sat Mar 10, 2012 11:35 pm

মনুষ্য প্রানী

Post by Shahin Sandy » Mon Dec 03, 2012 12:45 pm

হাজার হাজার প্রানীর পিঠে চড়ে বিবর্তনের মাধ্যমে আজ আমরা মানুষ।প্রায় অসীম পদার্থ মন্ডলকে সমৃদ্ধ করে আমাদেরকে সমৃদ্ধ করেছে প্রকৃতি।প্রকৃতির কল্যানেই আজ আমরা মানুষ,প্রকৃতির অবদানেই আজ আমরা প্রানী।তার বিবর্তনেই আজ সমৃদ্ধ মস্তিষ্কের অধিকারি।তার পরিবর্তনের আবরনেই আজ সমগ্র মানবজাতি এতোটা সভ্য,এতোটা উন্নত,এতোটা মননশীল,এতোটা প্রগতিমনা,এতোটা শান্তিপ্রিয়।
সৃষ্টির ঊষালগ্ন থেকেই পরিবর্তন সাধন করে
বিবর্তনকে আমন্ত্রন জানিয়ে আসছে প্রকৃতি।প্রকৃতিই বিবর্তনের নেপথ্য নিয়ন্ত্রক।আমাদের প্রতি প্রকৃতির শুভ দৃষ্টি আছে বলেই আজ গ্রহপৃষ্ঠে প্রতিষ্ঠিত মানব সভ্যতা।
সমগ্র স্থানে প্রকৃতির উপস্থিতি অনুধাবন করি অনুভূতি শক্তির মাধ্যমে শুনতে পাই বাতাসের বহমান প্রতিধ্বনি।একটু মনোযোগি হলেই শোনা যায় প্রবাহমান জলরাশির ভেসে যাওয়া অসহায় কান্না।আকাশের অসংখ্য মেঘ কনাদের প্রচন্ড ঘর্ষনে বিকট বিকট শব্দের তীর ধেয়ে আসে পৃথিবীর ভূখন্ডের দিকে।পরিবর্তন,বিবর্তন,প্রকৃতি এগুলো একে অন্যের ভেতর নিহিত।এ তিনটি বিষয়ের প্রত্যেকটিই একে অন্যের সাপেক্ষে বিবেচিত হয়।
পরিবর্তনের ঘূর্ণাচ্ছলে জীবন কতোটা স্বচ্ছ,কতোটা সহজ,কতোটা স্বাচ্ছন্দপূর্ন,কতোটা কঠিন,কতোটা আনন্দঘন আর কতোটা অতীতপ্রিয়।এই অপশন গুলোর মধ্যে যেটাকে ভাবতে ভালো লাগে সেটাই জীবনের সাথে জড়িয়ে থাকে নিবিড়ভাবে প্রতিমুহূর্ত।যা এড়িয়ে চলো তা-ই যেন বার বার হানা দেয় হৃদয়ের উপকুলে।যেখানে সমুদ্রের পানি ঘিরে আছে,তবুও তৃষ্ণার্ত মন মিনারেল ওয়াটারকে খুব বেশি অনুভব করে।যেখানে ধুলিরাশি আর তপ্ত রোধ।সমুদ্রের গভির থেকে ধেয়ে আসা ঢেউয়ে ভিজিয়ে যায় তার সমস্ত উপকুল।ঝলন্ত রোধের তাপদাহে ফের শুকিয়ে যায় পুরোটা অঞ্চল।ধুলিকনা নিজের ভেজা বন্ধন ছেড়ে একা হয়ে নিজস্বতায় ফিরে আসে।সামান্য বাতাসেই উড়ে যায় তপ্ত ধুলিকনা।প্রকৃতির এই উড়ে যাওয়া উড়িয়ে দেওয়া এগুলো যেন নিত্য নৈমিত্ত্বিক কর্মকান্ড।২০১০।

Post Reply

Return to “পদার্থ”